Skip to content

অংশ ১২: তথ্য সংগ্রহ · দ্বিতীয় অধ্যায়: জরিপ, তল্লাশি ও জব্দ

ধারা ২০৯ — জব্দকৃত সম্পদের ব্যবস্থা

Income Tax Act, 2023 · Section 209

আইনের মূল পাঠ

২০৯। ১[(১) যেক্ষেত্রে ধারা ২০৬ এর অধীন জব্দকৃত কোনো রেকর্ড, অর্থ, মূল্যবান ধাতু, গহনা বা অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী বা বস্তু, অতঃপর রেকর্ড ও সম্পদ বলিয়া উল্লিখিত, উপকর কমিশনারের নিকট হস্তান্তর করা হয়, সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার উপ-ধারা (২) এ বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিবেন।]

(২) উপকর কমিশনার, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যুক্তিসঙ্গত শুনানির সুযোগ প্রদান করিবেন এবং অতঃপর সম্পদ জব্দের ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিম্নবর্ণিত প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন,-

২[(ক) অপ্রদর্শিত রেকর্ড ও সম্পদ সম্পর্কে আনুমানিক অর্জনমূল্য হিসাব করিয়া অপ্রদর্শিত রেকর্ড ও সম্পদ সংশ্লিষ্ট সারসংক্ষেপ তৈরি;]

(খ) প্রদেয় ৩[কর] পরিগণনা, যাহা নিম্নবর্ণিত বিষয়াদির সমষ্টি হইবে, যথা:-

(অ) দফা (ক) এর প্রাক্কলনের ভিত্তিতে প্রদেয় কর এবং অন্য কোনো অঙ্ক; এবং

৪[(আ) প্রদেয় কর ও অন্য কোনো অঙ্কের করদায়ের জন্য উক্ত ব্যক্তি কর খেলাপি হইলে অথবা কর খেলাপি হিসাবে বিবেচিত হইলে, সেই করদায় পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় অঙ্ক।]

(৩) উপ-ধারা (২) এর উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, ৯০ (নব্বই) দিন সময় গণনাকালে, এই ধারার অধীন নির্ধারিত ৫[সময়সীমা, কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞায় উল্লিখিত সময়, এই কার্যধারার সময়ের] বহিভূর্ত থাকিবে।

(৪) যেইক্ষেত্রে মোট আয় এবং করদায় পরিগণনার নিমিত্ত জব্দকৃত সম্পত্তি বা তাহার অংশ কোনো আয়বর্ষ বা বর্ষসমূহের সহিত সংশ্লিষ্ট তাহা নিরূপণ করা সম্ভব হয় নাই সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার উক্ত সম্পত্তি বা তাহার অংশবিশেষ, যাহা প্রযোজ্য, ৬[যে আয়বর্ষে উক্ত রেকর্ড ও সম্পদ জব্দকরণ করা হইয়াছে সেই বৎসরের অর্জন] হিসাবে বিবেচনা করিতে পারিবেন।

(৫) উপ-ধারা (২) এবং (৩) এর অধীন কার্যক্রম সম্পন্ন করিবার পর, কমিশনারের অনুমোদনক্রমে, উপকর কমিশনার, উপ-ধারা (২) এর দফা (খ)-তে উল্লিখিত পরিমাণ অর্থ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(৬) যেইক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কোনো অর্থ পরিশোধ ৭[করেন] বা সন্তোষজনক ব্যবস্থা গ্রহণ ৮[করেন], সেইক্ষেত্রে উপকর কমিশনার জব্দকৃত ৯[রেকর্ড ও] সম্পদ ছাড় বা তাহার নিকট উপযুক্ত মর্মে বিবেচিত এইরূপ উদ্যোগ গ্রহণ করিবেন।

(৭) যেইক্ষেত্রে উপ ধারা (২) এর অধীন পরিশোধ, পরিশোধের জন্য কোনো সন্তোষজনক ব্যবস্থা, গ্রহণ করা হয় নাই সেইক্ষেত্রে –

১০[(ক) উক্ত ব্যক্তি কম পরিশোধিত কর প্রদানের জন্য খেলাপি করদাতা হিসাবে গণ্য হইবেন; এবং]

১১[(খ) ধারা ২০৬ এর অধীন জব্দকৃত রেকর্ড ও সম্পদ যাহা করের অনাদায়ী অংশের আদায়ের জন্য যথেষ্ট সেই অংশের পরিমাণ রেকর্ড ও সম্পদ উপকর কমিশনার হেফাজতে রাখিতে পারিবেন।]

(৮) যদি উপকর কমিশনার এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, ধারা ২০৬ এর অধীন জব্দকৃত ১২[রেকর্ড ও সম্পদ] বা উহার কোনো অংশ কোনো ব্যক্তি বা অন্য কোনো ব্যক্তির দখলভুক্ত, তাহা হইলে তিনি এই ধারার অধীন উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ১৩[করিবার জন্য এই ধারার সকল বিধান যথাযথভাবে প্রয়োগ করিবেন]।

(৯) যেকোনো ব্যক্তি যাহাকে উপ-ধারা (৪) এর অধীন নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করিতে হইবে, তিনি যদি সংক্ষুব্ধ হন, তাহা হইলে কর কমিশনারের নিকট লিখিতভাবে আপত্তি উত্থাপন করিতে পারিবেন, এবং কমিশনার আবেদনকারীকে শুনানির সুযোগ প্রদান করিয়া, যথোপযুক্ত আদেশ প্রদান করিবেন।

সংশোধনী টীকা

  1. ১২০২৬–২৭উপ-ধারা (১) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  2. ২২০২৬–২৭দফা (ক) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  3. ৩২০২৬–২৭“কর” শব্দ “অঙ্ক” শব্দের পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(গ)(অ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  4. ৪২০২৬–২৭উপ-দফা (আ) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(গ)(আ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  5. ৫২০২৬–২৭“সময়সীমা, কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞায় উল্লিখিত সময়, এই কার্যধারার সময়ের” শব্দগুলি ও কমাগুলি “কোনো সময়সীমা, কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞার কারণে কোনো কার্যধারা” শব্দগুলি ও কমার পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  6. ৬২০২৬–২৭“যে আয়বর্ষে উক্ত রেকর্ড ও সম্পদ জব্দকরণ করা হইয়াছে সেই বৎসরের অর্জন” শব্দগুলি “উক্ত ব্যক্তির যেই আয়বর্ষের সহিত সংশ্লিষ্ট সম্পদ জব্দ করা হইয়াছে উক্ত বৎসরের” শব্দগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(ঙ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  7. ৭২০২৬–২৭“করেন” শব্দ “করে” পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(চ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  8. ৮২০২৬–২৭“করেন” শব্দ “করে” পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(চ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  9. ৯২০২৬–২৭“রেকর্ড ও” শব্দগুলি “জব্দকৃত” শব্দের পর অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(চ) ধারাবলে সন্নিবেশিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  10. ১০২০২৬–২৭দফা (ক) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(ছ)(অ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  11. ১১২০২৬–২৭দফা (খ) অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(ছ)(আ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  12. ১২২০২৬–২৭“রেকর্ড ও সম্পদ” শব্দগুলি “সম্পত্তি” শব্দের পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(জ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।
  13. ১৩২০২৬–২৭“করিবার জন্য এই ধারার সকল বিধান যথাযথভাবে প্রয়োগ করিবেন” শব্দগুলি “করিতে পারিবেন এবং এই ধারার সকল বিধান যথাযথভাবে প্রয়োগযোগ্য হইবে” শব্দগুলির পরিবর্তে অর্থ আইন, ২০২৬ (২০২৬ সনের ৯৬ নং আইন) এর ১২২(জ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত (১ জুলাই, ২০২৬ তারিখ হইতে কার্যকর)।

সহজ ভাষায় বুঝুন

মেন্টরের নোট · Unidara Associates

জব্দ সম্পদ উপকর কমিশনারের কাছে আসার পর তিনি শুনানি দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে অপ্রদর্শিত সম্পদের আনুমানিক মূল্য বের করে প্রদেয় কর হিসাব করবেন। কর পরিশোধ বা সন্তোষজনক ব্যবস্থা করলে সম্পদ ছাড়; না করলে করখেলাপি, আর বকেয়া আদায়ের মতো সম্পদ আটকে রাখা হবে।

ধাপে ধাপে বুঝি

  1. ১উপ-ধারা (১) ও (২): জব্দ রেকর্ড ও সম্পদ হাতে আসার পর উপকর কমিশনার শুনানির সুযোগ দিয়ে জব্দের ৯০ দিনের মধ্যে (ক) অপ্রদর্শিত রেকর্ড ও সম্পদের আনুমানিক অর্জনমূল্য হিসাব করে সারসংক্ষেপ, আর (খ) প্রদেয় কর হিসাব করবেন: সেই প্রাক্কলনের ভিত্তিতে কর ও অন্যান্য অঙ্ক, এবং আগে থেকে করখেলাপি হলে সেই দায় পূরণের অঙ্ক।
  2. ২উপ-ধারা (৩): ৯০ দিন গোনার সময় নির্ধারিত সময়সীমা, কোনো আদেশ বা নিষেধাজ্ঞায় উল্লিখিত সময় বাদ যাবে।
  3. ৩উপ-ধারা (৪): জব্দ সম্পদ কোন আয়বর্ষের তা নির্ণয় করা না গেলে, যে আয়বর্ষে জব্দ হয়েছে সেই বছরের অর্জন হিসেবে ধরা যায়।
  4. ৪উপ-ধারা (৫): কমিশনারের অনুমোদনে উপকর কমিশনার নির্ধারিত অঙ্ক পরিশোধের আদেশ দেবেন।
  5. ৫উপ-ধারা (৬) ও (৭): পরিশোধ বা সন্তোষজনক ব্যবস্থা করলে রেকর্ড ও সম্পদ ছাড়। না করলে (ক) কম পরিশোধিত করের জন্য খেলাপি করদাতা, আর (খ) অনাদায়ী কর আদায়ের জন্য যথেষ্ট অংশ আটকে রাখা হবে।
  6. ৬উপ-ধারা (৮): জব্দ সম্পদ অন্য কারো বলে প্রমাণ হলে তার বিরুদ্ধে এই ধারার সব বিধান প্রয়োগ।
  7. ৭উপ-ধারা (৯): পরিশোধের আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে কর কমিশনারের কাছে লিখিত আপত্তি; কমিশনার শুনানি দিয়ে আদেশ দেবেন।

মনে রাখুন

  • শুনানি দিয়ে ৯০ দিনে অপ্রদর্শিত সম্পদের মূল্য ও কর হিসাব।
  • বছর নির্ণয় না গেলে জব্দের বছরের অর্জন।
  • পরিশোধ করলে ছাড়; না করলে খেলাপি ও সম্পদ আটক।
  • কর কমিশনারের কাছে আপত্তির সুযোগ।

আয়কর পরিপত্র ২০২৬–২৭ অনুযায়ী

অনুচ্ছেদ ৯২ · পৃষ্ঠা ১১৪–১১৬
  • উপ-ধারা (১): ধারা ২০৬ এ জব্দকৃত সব রেকর্ড ও সম্পদ উপকর কমিশনারকে হস্তান্তরে উপ-ধারা (২) এর পদ্ধতি।
  • উপ-ধারা (২)(ক): অপ্রদর্শিত রেকর্ড ও সম্পদের আনুমানিক অর্জনমূল্য হিসাব করে সারসংক্ষেপ; (২)(খ) তে “অঙ্ক” এর বদলে “কর”।
  • উপ-ধারা (৩): সম্পদ জব্দের ৯০ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান শুরুর সময় গণনায়, আদেশ বা নিষেধাজ্ঞায় উল্লেখিত সময় বাদ যাবে।
  • উপ-ধারা (৪): জব্দকৃত সম্পত্তি কোন আয়বর্ষের তা নির্ধারণ সম্ভব না হলে, যে আয়বর্ষে রেকর্ড ও সম্পদ জব্দ হয়েছে সেই বছরের অর্জন গণ্য করা যাবে।
  • উপ-ধারা (৭): নির্ধারিত করের চেয়ে কম দিলে কম অংশের জন্য খেলাপি করদাতা; অনাদায়ী কর আদায়ে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু রেকর্ড ও সম্পদ উপকর কমিশনার হেফাজতে রাখতে পারবেন।
  • উপ-ধারা (৮): “সম্পত্তি” এর বদলে “রেকর্ড ও সম্পদ”; “করিতে পারিবেন…” এর বদলে “করিবার জন্য এই ধারার সকল বিধান যথাযথভাবে প্রয়োগ করিবেন” — ভাষা বাধ্যতামূলক।
  • সংশোধিত বিধান ২০২৬-২০২৭ করবর্ষ থেকে প্রযোজ্য।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর পরিপত্র ২০২৬–২৭। পরিপত্রের ব্যাখ্যা সহজ ভাষায় সংক্ষেপ করা হয়েছে; উদাহরণের অঙ্ক অপরিবর্তিত।

উদাহরণ

  1. ১তল্লাশিতে একজন করদাতার কাছ থেকে রিটার্নে দেখানো হয়নি এমন ৫০ লক্ষ টাকার গহনা জব্দ হলো। কোন বছরে কেনা, তা প্রমাণ করা গেল না।
  2. ২উপকর কমিশনার শুনানি দিয়ে গহনার আনুমানিক অর্জনমূল্য ধরে জব্দের বছরের অর্জন হিসেবে কর হিসাব করলেন, আর কমিশনারের অনুমোদনে পরিশোধের আদেশ দিলেন।
  3. ৩করদাতা কর পরিশোধ করলে গহনা ফেরত পাবেন। না করলে খেলাপি হবেন, আর বকেয়ার সমপরিমাণ গহনা আটকে রাখা হবে।

প্র্যাকটিশনারের পরামর্শ

শুনানিতে সম্পদের প্রকৃত অর্জনের সময় ও উৎসের প্রমাণ দিন, যেমন কেনার রসিদ, উত্তরাধিকারের দলিল, আগের রিটার্ন। প্রমাণ না দিলে জব্দের বছরের আয় ধরা হতে পারে।

সাম্প্রতিক পরিবর্তন

অর্থ আইন, ২০২৬: ধারার বেশিরভাগ দফা নতুন করে লেখা: “রেকর্ড ও সম্পদ” শব্দ, অপ্রদর্শিত সম্পদের আনুমানিক অর্জনমূল্য, খেলাপির দায় অন্তর্ভুক্ত, বছর নির্ণয় না গেলে জব্দের বছরের অর্জন, আর অপরিশোধে খেলাপি ও সম্পদ আটক।

বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ

নীতি, প্রশাসন, আইন ও হিসাব, চার দিক থেকে

করবর্ষ ২০২৬–২৭ অনুযায়ী

নীতিগত উদ্দেশ্য: আইনটা কেন এমন

জব্দ সম্পদকে দ্রুত কর নির্ধারণ ও আদায়ের সাথে যুক্ত করা: ৯০ দিনের মধ্যে অপ্রদর্শিত সম্পদের মূল্যায়ন ও কর হিসাব, আর পরিশোধে সম্পদ ছাড়। ২০২৬ এ বছর নির্ণয় না গেলে জব্দের বছরের অর্জন ধরার নিয়ম প্রমাণের ভার করদাতার উপর দেয়।

কর কর্মকর্তার দৃষ্টিতে

শুনানি বাধ্যতামূলক। আনুমানিক অর্জনমূল্যের ভিত্তি (বাজারদর, মূল্যায়নকারীর প্রতিবেদন) নথিতে রাখুন, আর পরিশোধের আদেশের আগে কমিশনারের অনুমোদন নিন।

আয়কর আইনজীবীর দৃষ্টিতে

৯০ দিনের গণনায় আদেশ বা নিষেধাজ্ঞার সময় বাদ যায়। সম্পদ কোন বছরের অর্জন তা প্রমাণ করতে পারলে জব্দের বছরের আয় ধরার অনুমান এড়ানো যায়, যা কর হার ও সময়সীমার দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ। আপত্তি কর কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে (উপ-ধারা ৯)।

কর পরিকল্পনার দৃষ্টিতে

সম্পদ ছাড়ের জন্য “সন্তোষজনক ব্যবস্থা” (যেমন ব্যাংক গ্যারান্টি বা কিস্তি) নিয়ে আলোচনা করা যায়; পুরো অঙ্ক একসাথে দেওয়া সম্ভব না হলে প্রস্তাব দিন।

সাধারণ ভুল

  • শুনানিতে সম্পদের অর্জনের বছর ও উৎস প্রমাণ না দেওয়া।
  • পরিশোধ বা ব্যবস্থা না করে খেলাপি হয়ে যাওয়া।

এই বিশ্লেষণ Unidara Associates এর শিক্ষামূলক ব্যাখ্যা, NBR এর দাপ্তরিক মত নয়। আপনার নির্দিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে পরামর্শ নিন।

Talk to us

Tell us what you need on WhatsApp or by phone. A licensed practitioner looks at your case and gives you a fixed quote before any work starts.

01317-028002info@unidaraassociates.bd

Have a deadline coming up? Let’s get it filed.

Tell us what you need. A licensed practitioner reviews your case and sends a fixed quote before any work starts.