অংশ ৪: আয়কর ধার্যকরণ · দ্বিতীয় অধ্যায়: আয়ের আওতা
ধারা ২৭ — বাংলাদেশে উপচিত বা উদ্ভূত বলিয়া গণ্য আয়
Income Tax Act, 2023 · Section 27
আইনের মূল পাঠ
২৭। নিম্নবর্ণিত আয়সমূহ বাংলাদেশে উপচিত বা উদ্ভূত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে, যথা:-
(ক) পরিশোধের স্থান নির্বিশেষে চাকরি হইতে আয় খাতভুক্ত যেকোনো আয়, যদি তাহা-
(অ) বাংলাদেশে অর্জিত হয়; বা
(আ) সেবা প্রদানের বিপরীতে যদি সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে পরিশোধ করা হয়;
(খ) নিম্নবর্ণিত উৎস হইতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে, উপচিত বা উদ্ভূত কোনো আয়, যথা:-
(অ) বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো স্থায়ী স্থাপনা;
(আ) বাংলাদেশে বিদ্যমান কোনো স্পর্শাতীত (intangible) সম্পত্তি, বাংলাদেশে বিদ্যমান কোনো সম্পত্তি, অধিকার, অথবা আয়ের অন্য কোনো উৎস; বা
(ই) বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর;
(ঈ) বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো ক্রেতার নিকট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রয়; বা
(উ)বাংলাদেশে ব্যবহৃত কোনো স্পর্শাতীত সম্পত্তি;
ব্যাখ্যা।- এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে,
(ক) বাংলাদেশে নিবাসী কোনো কোম্পানির শেয়ার, তাহা যাহার নিকট থাকুক না কেন, বাংলাদেশে থাকা সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে;
(খ) কোনো স্পর্শাতীত সম্পত্তি বাংলাদেশে বিদ্যমান সম্পত্তি বলিয়া গণ্য হইবে, যদি-
(অ) স্পর্শাতীত সম্পত্তি বাংলাদেশে নিবন্ধিত হয়; বা
(আ) যেইক্ষেত্রে স্পর্শাতীত সম্পত্তির মালিক বাংলাদেশে অনিবাসী, সেইক্ষেত্রে স্পর্শাতীত সম্পত্তিটি যদি উপরিবর্ণিত অনিবাসীর বাংলাদেশে অবস্থিত স্থায়ী এস্টাব্লিসমেন্টের সহিত সংশ্লিষ্ট হয়:
(গ) বাংলাদেশে অনিবাসী কোনো কোম্পানির শেয়ার হস্তান্তরিত হইলে, উক্ত শেয়ার হস্তান্তর যেখানেই সংঘটিত হউক না কেন, এবং উক্ত কোম্পানির বাংলাদেশে কোনো পরিসম্পদ থাকিলে উক্ত হস্তান্তরিত শেয়ারমূল্যের যতটুকু বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো পরিসম্পদের মূল্যের সহিত সম্পর্কিত ততটুকু পর্যন্ত অঙ্ক বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো পরিসম্পদ হস্তান্তর বলিয়া গণ্য হইবে;
(ঘ) বাংলাদেশি কোনো কোম্পানি কর্তৃক বাংলাদেশের বাহিরে পরিশোধিত কোনো লভ্যাংশ;
(ঙ) সুদ হিসাবে প্রদেয় কোনো আয়, যদি তাহা-
(অ) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদেয় হয়;
(আ) নিবাসী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদেয় হয়, তবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যদি ঋণ বা ধারকৃত অর্থ-
(১) বাংলাদেশের বাহির হইতে গৃহীত হয়; এবং
(২) বাংলাদেশের বাহিরে কোনো ব্যবসা পরিচালনার উদ্দেশ্যে বা বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোনো উৎস হইতে আয় অর্জনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়;
(ই) বাংলাদেশে কোনো ব্যবসা পরিচালনার উদ্দেশ্যে বা বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো উৎস হইতে আয় অর্জনের উদ্দেশ্যে গৃহীত বা ব্যবহৃত কোনো ঋণের বা ধারকৃত কোনো অর্থের বিপরীতে কোনো অনিবাসী কর্তৃক প্রদেয় হয়;
(চ) কারিগরি সেবার জন্য ফি হিসাবে প্রাপ্ত কোনো আয়, যদি তাহা-
(অ) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদেয় হয়; বা
(আ) নিবাসী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদেয় হয়, তবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যদি উক্ত ফি-
(১) বাংলাদেশের বাহিরে কোনো ব্যবসা পরিচালনার উদ্দেশ্যে গৃহীত সেবার বিপরীতে প্রদেয় হয়; অথবা
(২) বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোনো উৎস হইতে আয় অর্জনের উদ্দেশ্যে গৃহীত সেবার বিপরীতে প্রদেয় হয়;
(ই) বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো ব্যবসা পরিচালনা বা বাংলাদেশে অবস্থিত অন্য কোনো উৎস হইতে আয় অর্জনের লক্ষ্যে গৃহীত সেবার ফি হিসাবে কোনো অনিবাসী কর্তৃক প্রদেয় হয়;
(ছ) রয়্যালটি আয়, যাহা-
(অ) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিশোধযোগ্য;
(আ) নিবাসী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক প্রদেয় হয়, তবে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে উহা প্রযোজ্য হইবে না, যদি উক্ত রয়্যালটি-
(১) বাংলাদেশের বাহিরে কোনো ব্যবসা পরিচালনার উদ্দেশ্যে কোনো স্বত্ত্ব, সম্পত্তি বা তথ্য বা গৃহীত সেবার বিনিময় হিসাবে প্রদেয় হয়; অথবা
(২) বাংলাদেশের বাহিরে অবস্থিত কোনো উৎস হইতে আয় অর্জনের উদ্দেশ্যে কোনো স্বত্ত্ব, সম্পত্তি বা তথ্য বা গৃহীত সেবার বিনিময় হিসাবে প্রদেয় হয়;
(ই) বাংলাদেশে অবস্থিত কোনো ব্যবসা পরিচালনা বা বাংলাদেশে অবস্থিত অন্য কোনো উৎস হইতে আয় অর্জনের জন্য ব্যবহৃত কোনো স্বত্ত্ব, সম্পত্তি বা তথ্য বা গৃহীত সেবার বিনিময় হিসাবে কোনো অনিবাসী কর্তৃক পরিশোধযোগ্য;
(জ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনো ঝুঁকি হইতে রক্ষার বিপরীতে কোনো নিবাসী বা অনিবাসী দ্বারা উপচিত বা প্রদেয় বিমা বা পুনঃবিমার প্রিমিয়াম ১[;]
২[(ঝ) পণ্য বা সেবার ক্রয়-বিক্রয় প্রস্তাব প্রদান বা গ্রহণ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (অনলাইন বা ডিজিটাল বা যোগাযোগ নেটওয়ার্ক) এর মাধ্যমে সংঘটিত হইলে এবং উক্ত পণ্য বা সেবা প্রদান কার্যক্রম ও ইহার মূল্য বা বিনিময় (consideration) অনলাইন বা অফলাইনের মাধ্যমে পরিশোধ করা হইলে তাহা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রয় বলিয়া গণ্য হইবে।]
সহজ ভাষায় বুঝুন
মেন্টরের নোট · Unidara Associates
কিছু আয় টাকা বিদেশে পরিশোধ হলেও আইনের চোখে “বাংলাদেশে উদ্ভূত” ধরা হয়। এই ধারা সেই আয়গুলোর তালিকা দেয়। অনিবাসীর ক্ষেত্রে এটা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের শুধু বাংলাদেশে উদ্ভূত আয়ে কর হয়।
মনে রাখুন
- চাকরির আয়: কাজটি বাংলাদেশে করা হলে, বেতন যেখানেই দেওয়া হোক, আয়টা বাংলাদেশে উদ্ভূত। সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কোনো বাংলাদেশি নাগরিককে সেবার বিনিময়ে যে টাকা দেয়, সেটাও।
- বাংলাদেশে থাকা স্থায়ী স্থাপনা, সম্পত্তি, অধিকার বা স্পর্শাতীত সম্পত্তি থেকে আয়, এবং বাংলাদেশে থাকা সম্পত্তি হস্তান্তর থেকে আয়।
- বাংলাদেশের কোনো ক্রেতার কাছে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রি, এবং বাংলাদেশে ব্যবহৃত স্পর্শাতীত সম্পত্তি থেকে আয়।
- বাংলাদেশি কোম্পানি বিদেশে যে লভ্যাংশ দেয়, সেটাও বাংলাদেশে উদ্ভূত।
- সুদ, কারিগরি সেবার ফি ও রয়্যালটি: বাংলাদেশ সরকার বা নিবাসী ব্যক্তি দিলে সাধারণত বাংলাদেশে উদ্ভূত। ব্যতিক্রম হলো যখন টাকাটা বাংলাদেশের বাইরের ব্যবসা বা উৎসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশের ভেতরের ঝুঁকির বিপরীতে বিমা বা পুনঃবিমার প্রিমিয়াম।
- নিবাসী কোম্পানির শেয়ার, যার হাতেই থাকুক, বাংলাদেশে থাকা সম্পত্তি ধরা হয়। বিদেশি কোম্পানির শেয়ার হাতবদলের মূল্যের যে অংশ বাংলাদেশের সম্পদের সাথে জড়িত, সেই অংশ বাংলাদেশের সম্পদ হস্তান্তর ধরা হয়।
- নতুন দফা (ঝ): অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কেনাবেচার প্রস্তাব দেওয়া বা নেওয়া হলে, টাকা অনলাইনে বা অফলাইনে যেভাবেই দেওয়া হোক, সেটা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বিক্রি বলে গণ্য।
আয়কর পরিপত্র ২০২৬–২৭ অনুযায়ী
অনুচ্ছেদ ৯ · পৃষ্ঠা ২৯–৩০- ব্যাখ্যাংশে নতুন দফা (ঝ): ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পণ্য ও সেবা বিক্রয়ের সংজ্ঞা বড় হয়েছে — অনলাইন প্ল্যাটফর্মে (অনলাইন, ডিজিটাল বা যোগাযোগ নেটওয়ার্কে) ক্রয়-বিক্রয়ের প্রস্তাব দেওয়া বা গ্রহণ করা হলেই তা ইলেকট্রনিক বিক্রয়।
- পণ্য বা সেবা সরবরাহ এবং মূল্য পরিশোধ অনলাইনে বা অফলাইনে যেভাবেই হোক, তা ইলেকট্রনিক বিক্রয় গণ্য হবে।
- সংশোধিত বিধান ২০২৬-২০২৭ করবর্ষ থেকে প্রযোজ্য।
সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর পরিপত্র ২০২৬–২৭। পরিপত্রের ব্যাখ্যা সহজ ভাষায় সংক্ষেপ করা হয়েছে; উদাহরণের অঙ্ক অপরিবর্তিত।
উদাহরণ
- ১একজন জার্মান প্রকৌশলী চট্টগ্রামের একটি কারখানায় ৩ মাস কাজ করলেন। বেতন দিল জার্মানির মূল কোম্পানি। কাজ বাংলাদেশে হয়েছে, তাই এই বেতন বাংলাদেশে উদ্ভূত আয়।
- ২একটি বিদেশি সফটওয়্যার কোম্পানি ঢাকার গ্রাহকদের কাছে অনলাইনে সাবস্ক্রিপশন বিক্রি করে। এই বিক্রির আয় বাংলাদেশে উদ্ভূত বলে গণ্য।
- ৩একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেসে অর্ডার নেওয়া হলো, কিন্তু টাকা দেওয়া হলো ক্যাশ অন ডেলিভারিতে। নতুন দফা (ঝ) অনুযায়ী এটাও ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বিক্রি।
প্র্যাকটিশনারের পরামর্শ
বিদেশি কাউকে সুদ, রয়্যালটি বা কারিগরি সেবার ফি দেওয়ার আগে দেখুন আয়টা বাংলাদেশে উদ্ভূত কিনা। উদ্ভূত হলে সাধারণত পরিশোধের সময় উৎসে কর কাটার দায়িত্ব আসে।
সাম্প্রতিক পরিবর্তন
অর্থ আইন, ২০২৬ নতুন দফা (ঝ) যোগ করেছে: অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রস্তাব দিয়ে বা নিয়ে হওয়া বিক্রি, টাকা অনলাইনে বা অফলাইনে যেভাবেই দেওয়া হোক, ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বিক্রি বলে গণ্য হবে (১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর)।
বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
নীতি, প্রশাসন, আইন ও হিসাব, চার দিক থেকে
নীতিগত উদ্দেশ্য: আইনটা কেন এমন
ডিজিটাল অর্থনীতি আর বহুজাতিক কাঠামোর যুগে আয় কোথায় “উদ্ভূত” তা নির্ধারণ কঠিন। বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশে অফিস না রেখেও এখানকার গ্রাহক থেকে আয় করে, আর শেয়ার হস্তান্তর বিদেশে করে বাংলাদেশের সম্পদের মালিকানা বদলায়। ধারা ২৭ এসব আয়কে আইনগতভাবে “বাংলাদেশে উদ্ভূত” বলে গণ্য করে, যেন কর ভিত্তি রক্ষা হয়। অর্থ আইন, ২০২৬ নতুন দফা (ঝ) যোগ করে স্পষ্ট করেছে: অনলাইনে প্রস্তাব দেওয়া বা নেওয়া হলে, টাকা অফলাইনে দিলেও (যেমন ক্যাশ অন ডেলিভারি) সেটা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বিক্রি বলে গণ্য।
কর কর্মকর্তার দৃষ্টিতে
বিদেশি পরিশোধের সময় উৎসে কর কাটা হয়েছে কিনা, তা এই ধারার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। আয় বাংলাদেশে উদ্ভূত হলে পরিশোধকারীর উপর উৎসে কর কাটার দায় আসে, আর না কাটলে অংশ ৭ ও ধারা ৫৬ এর পরিণতি।
আয়কর আইনজীবীর দৃষ্টিতে
ব্যতিক্রমগুলো গুরুত্বপূর্ণ: নিবাসী যদি বিদেশে ব্যবসা বা বিদেশি উৎসের আয়ের জন্য সুদ, কারিগরি ফি বা রয়্যালটি দেন, তা বাংলাদেশে উদ্ভূত নয়। দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি থাকলে চুক্তির বিধান আর স্থায়ী স্থাপনার সংজ্ঞাও বিবেচনায় আনতে হয়।
হিসাবরক্ষক ও CA এর দৃষ্টিতে
বিদেশি সরবরাহকারীকে প্রতিটি পরিশোধের আগে একটি চেকলিস্ট চালান: সেবাটা কী, কোথায় ব্যবহার হচ্ছে, অর্থ কোথায় যাচ্ছে, চুক্তির দেশ কোনটি, আর প্রযোজ্য উৎসে কর কত। ব্যাংকে বৈদেশিক পরিশোধের সময়ও কর পরিশোধের প্রমাণ লাগতে পারে।
কর পরিকল্পনার দৃষ্টিতে
ই-কমার্স বা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালালে নতুন দফা (ঝ) অনুযায়ী সব অনলাইন অর্ডার ইলেকট্রনিক বিক্রি। বিক্রয় ও পরিশোধের রেকর্ড চ্যানেল অনুযায়ী আলাদা রাখুন।
বিদেশি শেয়ার হস্তান্তর, বাংলাদেশি সম্পদ
- ১সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানি বাংলাদেশে একটি কারখানার মালিক (সহযোগী কোম্পানির মাধ্যমে)। সিঙ্গাপুরের কোম্পানির শেয়ার দুবাইয়ে বিক্রি হলো।
- ২ব্যাখ্যা (গ) অনুযায়ী, শেয়ারমূল্যের যে অংশ বাংলাদেশের সম্পদের মূল্যের সাথে সম্পর্কিত, সেই অংশ বাংলাদেশে অবস্থিত সম্পদের হস্তান্তর বলে গণ্য।
- ৩ফলে লেনদেন বিদেশে হলেও সেই অংশের লাভ বাংলাদেশে করযোগ্য হতে পারে।
সাধারণ ভুল
- বিদেশি সফটওয়্যার বা ক্লাউড সেবার বিল দিয়ে উৎসে কর না কাটা।
- বাংলাদেশে কাজ করা বিদেশি পরামর্শকের ফি বিদেশে দিয়ে আয়টি বাংলাদেশের বাইরের মনে করা।
করণীয় চেকলিস্ট
- বিদেশে প্রতিটি পরিশোধের আগে আয়টি বাংলাদেশে উদ্ভূত কিনা যাচাই করুন।
- প্রযোজ্য দ্বৈত কর পরিহার চুক্তির হার ও শর্ত দেখুন।
- উৎসে কর কেটে চালান ও সনদ সংরক্ষণ করুন।
সাথে পড়ুন
এই বিশ্লেষণ Unidara Associates এর শিক্ষামূলক ব্যাখ্যা, NBR এর দাপ্তরিক মত নয়। আপনার নির্দিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে পরামর্শ নিন।
