অংশ ২০: রিভিশন, আপিল ও রেফারেন্স · দ্বিতীয় অধ্যায়: আপিল এবং রেফারেন্স
ধারা ২৮৬ — আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল
Income Tax Act, 2023 · Section 286
আইনের মূল পাঠ
২৮৬। (১) কোনো করদাতা আয়কর কর্তৃপক্ষের আদেশে সংক্ষুব্ধ হইলে সংশ্লিষ্ট আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট নিম্নবর্ণিত বিষয়ে আপিল করিতে পারিবেন, যথা:-
(ক) আয় নির্ধারণ;
(খ) পরিশোধ্য করদায় নিরূপণ;
(গ) ১[লোকসানের] সমন্বয় বা জের টানা;
(ঘ) দণ্ড বা সুদ আরোপ;
(ঙ) চার্জ এবং সারচার্জ বা অন্য কোনো অর্থ হিসাব;
(চ) প্রত্যর্পণের পরিমাণ নিরূপণ;
(ছ) করের ক্রেডিট; এবং
(জ) কোনো প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত।
(২) উপ-ধারা (৩) এর বিধান সাপেক্ষে, নিম্নবর্ণিত বিষয়ে কেবল কমিশনার (আপিল) বরাবর আপিল করা যাইবে, যথা:-
(ক) কোম্পানি কর্তৃক আপিল;
(খ) ধারা ২১৩ এর অধীন প্রদত্ত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল; এবং
(গ) আন্তর্জাতিক লেনদেন সংশ্লিষ্ট সমন্বয় বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল।
(৩) বোর্ড-
(ক) আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের উপর কোনো আপিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে; এবং
(খ) এক আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট হইতে অন্য আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের নিকট আপিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব হস্তান্তর করিতে পারিবে।
(৪) করারোপিত শেয়ার আয় হিসাবে পরিগণিত কোনো আয়ের ক্ষেত্রে আপিল করা যাইবে না।
২[(৫) কর নিরূপণ আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাইবে না, যদি উপকর কমিশনারের আদেশের ভিত্তিতে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়ের মধ্যকার যে পার্থক্য হইবে, তাহার ১% (এক শতাংশ) কর পরিশোধ করা না হইয়া থাকে।]
তবে শর্ত থাকে যে, যদি আপিলকারী আপিল দায়েরের পূর্বে তাহার রিটার্নের ভিত্তিতে কর পরিশোধ করিয়া থাকেন এবং আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, সন্তোষজনক কারণে আপিলকারী রিটার্ন দাখিলের পূর্বে কর পরিশোধ করিতে পারেন নাই, তাহা হইলে আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষ শুনানির জন্য আপিল গ্রহণ করিতে পারিবে।
সহজ ভাষায় বুঝুন
মেন্টরের নোট · Unidara Associates
আয় নির্ধারণ, করদায়, লোকসান সমন্বয়, দণ্ড বা সুদ, ফেরত, কর ক্রেডিট ইত্যাদি বিষয়ে আয়কর কর্তৃপক্ষের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল আয়কর কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল করা যায়। কোম্পানি, ধারা ২১৩ এর আদেশ আর আন্তর্জাতিক লেনদেনের আপিল শুধু কমিশনার (আপিল) এর কাছে। অর্থ আইন, ২০২৬ থেকে কর নির্ধারণী আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের আগে ধার্য কর আর স্বীকৃত করের পার্থক্যের ১% পরিশোধ করতে হবে।
ধাপে ধাপে বুঝি
- ১উপ-ধারা (১), আপিলযোগ্য বিষয়: (ক) আয় নির্ধারণ; (খ) করদায় নিরূপণ; (গ) লোকসানের সমন্বয় বা জের; (ঘ) দণ্ড বা সুদ; (ঙ) চার্জ, সারচার্জ বা অন্য অর্থ; (চ) প্রত্যর্পণের পরিমাণ; (ছ) কর ক্রেডিট; (জ) প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত।
- ২উপ-ধারা (২), শুধু কমিশনার (আপিল) এর কাছে: (ক) কোম্পানির আপিল; (খ) ধারা ২১৩ এর আদেশ; (গ) আন্তর্জাতিক লেনদেনের সমন্বয় বা দণ্ড। অন্যরা সাধারণত অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) এর কাছে।
- ৩উপ-ধারা (৩): NBR আপিল নিষ্পত্তির দায়িত্ব অর্পণ ও হস্তান্তর করতে পারে।
- ৪উপ-ধারা (৪): করারোপিত শেয়ার আয় হিসেবে পরিগণিত আয়ের ক্ষেত্রে আপিল চলবে না।
- ৫উপ-ধারা (৫), নতুন: উপকর কমিশনারের আদেশে ধার্য কর আর স্বীকৃত করদায়ের পার্থক্যের ১% পরিশোধ না করলে কর নির্ধারণী আদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলবে না। শর্তাংশ অনুযায়ী সন্তোষজনক কারণে রিটার্ন দাখিলের আগে কর দিতে না পারলেও, আপিলের আগে রিটার্নভিত্তিক কর দিলে আপিল গ্রহণ করা যায়।
মনে রাখুন
- আয়, কর, লোকসান, দণ্ড, সুদ, ফেরত, ক্রেডিট: সবই আপিলযোগ্য।
- কোম্পানি, ২১৩ ও আন্তর্জাতিক লেনদেন: কমিশনার (আপিল)।
- আপিলের আগে পার্থক্যের ১% পরিশোধ (২০২৬ থেকে)।
আয়কর পরিপত্র ২০২৬–২৭ অনুযায়ী
অনুচ্ছেদ ১১০ · পৃষ্ঠা ১২৩; উদাহরণ ৩৫ · পৃষ্ঠা ১২৬–১২৭- উপ-ধারা (১)(গ) তে “ক্ষতির” বদলে “লোকসানের” — পরিভাষাগত সামঞ্জস্য।
- উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপন — কর নিরূপণ আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের নতুন শর্ত: উপকর কমিশনারের আদেশে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়ের পার্থক্যের ১% কর পরিশোধ না করলে কর নিরূপণ আদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল দায়ের করা যাবে না।
- হিসাবের ভিত্তি “স্বীকৃত করদায়” — রিটার্নে স্বীকার করা কর। আর এই ১% পরে ট্রাইব্যুনালে আপিলের ৩% থেকে বাদ যায় (ধারা ২৯১)।
- সংশোধিত বিধান ১ জুলাই, ২০২৬ থেকে প্রযোজ্য।
উদাহরণ ৩৫ (প্রথম অংশ) — প্রথম আপিলের ১%
- ১জনাব নাবিল রহমান ২০২৩-২৪ করবর্ষে ৫,০০,০০০ টাকা আয় ও স্বীকৃত করদায় ১০,০০০ টাকা পরিশোধ করে রিটার্ন দেন।
- ২রিটার্ন অডিটে নির্বাচিত হওয়ার পর উপকর কমিশনার আয় নিরূপণ করেন ১৬,৫০,০০০ টাকা; নিরূপিত আয়ের প্রেক্ষিতে ধার্যকৃত কর ১,৯৫,০০০ টাকা।
- ৩আপিলের জন্য পরিশোধ করতে হবে = (ধার্যকৃত কর − স্বীকৃত করদায়) × ১% = (১,৯৫,০০০ − ১০,০০০) × ১% = ১,৮৫,০০০ × ১% = ১,৮৫০ টাকা।
সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর পরিপত্র ২০২৬–২৭। পরিপত্রের ব্যাখ্যা সহজ ভাষায় সংক্ষেপ করা হয়েছে; উদাহরণের অঙ্ক অপরিবর্তিত।
উদাহরণ — আয়কর পরিপত্র ২০২৬-২০২৭ (NBR)
- ১রিটার্নে প্রদর্শিত আয় ৫,০০,০০০ টাকা; করদাতার স্বীকৃত করদায় ১০,০০০ টাকা।
- ২রিটার্নটি অডিটের জন্য নির্বাচিত হওয়ার পর উপকর কমিশনার আয় নিরূপণ করেন ১৬,৫০,০০০ টাকা; নিরূপিত আয়ের প্রেক্ষিতে ধার্যকৃত কর ১,৯৫,০০০ টাকা।
- ৩আপিল দায়েরের জন্য পরিশোধ করতে হবে = (ধার্যকৃত কর − স্বীকৃত করদায়) × ১% = (১,৯৫,০০০ − ১০,০০০) × ১% = ১,৮৫,০০০ × ১% = ১,৮৫০ টাকা।
- ৪হিসাব হয় “স্বীকৃত করদায়” দিয়ে। এই ১,৮৫০ টাকা পরে ট্রাইব্যুনালে আপিলের ৩% থেকে বাদ যায় (ধারা ২৯১ দেখুন)।
প্র্যাকটিশনারের পরামর্শ
আপিলের সাথে ১% পরিশোধের চালান আর স্বীকৃত কর পরিশোধের প্রমাণ সংযুক্ত করুন; না থাকলে আপিল গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্নে আটকে যেতে পারে।
সাম্প্রতিক পরিবর্তন
অর্থ আইন, ২০২৬: “ক্ষতির” বদলে “লোকসানের”; উপ-ধারা (৫) প্রতিস্থাপিত (পার্থক্যের ১% পরিশোধের শর্ত)।
বিশেষজ্ঞ বিশ্লেষণ
নীতি, প্রশাসন, আইন ও হিসাব, চার দিক থেকে
নীতিগত উদ্দেশ্য: আইনটা কেন এমন
আপিলযোগ্য বিষয় স্পষ্ট করা আর ২০২৬ থেকে স্বল্প প্রাক-পরিশোধ (পার্থক্যের ১%) দিয়ে অযথা আপিল কমানো, তবে প্রবেশাধিকার খুব ব্যয়বহুল না করে। তিনটি নীতিগত বিবেচনা কাজ করে: (১) শুধু আদায় পিছিয়ে দেওয়ার জন্য করা আপিল ঠেকানো; সামান্য আর্থিক দায় যুক্ত হলে আপিলের seriousness নিশ্চিত হয়। (২) ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার রক্ষা; হার ইচ্ছা করেই কম (১০ লক্ষ টাকার বিরোধে ১০ হাজার টাকা), আর আদালত সাধারণত এমন যুক্তিসঙ্গত pre-deposit শর্তকে বৈধ দেখে, যতক্ষণ তা আপিলের অধিকারকে অর্থহীন না করে। (৩) পর্যায়ভিত্তিক কাঠামো: প্রথম আপিলে ১%, ট্রাইব্যুনালে ৩% (ধারা ২৯১(২)), হাইকোর্টে রেফারেন্সে ১০% (ধারা ২৯৩)।
আয়কর আইনজীবীর দৃষ্টিতে
উপ-ধারা (৫) আপিলের গ্রহণযোগ্যতার পূর্বশর্ত (condition precedent / maintainability), merit এর প্রশ্ন নয়। শর্ত পূরণ না হলে যুক্তি যত শক্তই হোক, আপিল শুনানিতেই যাবে না। “করা যাইবে না” ভাষাটি negative ও mandatory, directory নয়; আপিল কর্তৃপক্ষকে এটি মওকুফের কোনো ক্ষমতা আইনে দেওয়া হয়নি।
আয়কর আইনজীবীর দৃষ্টিতে
১% শর্ত “কর নিরূপণ আদেশের” বিরুদ্ধে আপিলে; উপ-ধারা (১) এর অন্য বিষয়ে (আলাদা দণ্ড বা সুদের আদেশ, প্রত্যর্পণ, কর ক্রেডিট) কর নিরূপণ জড়িত না থাকলে আক্ষরিক পাঠে (৫) সরাসরি প্রযোজ্য হওয়ার কথা নয়, তবে ভাষাগতভাবে প্রশ্নসাপেক্ষ। বাস্তবে নিরূপণ আদেশের সাথেই সুদ ও দণ্ড যুক্ত থাকে, তাই অধিকাংশ আপিলে শর্তটি প্রযোজ্য। শর্তাংশের ভাষা পুরোনো কাঠামো থেকে আসা এবং নতুন (৫) এর সাথে পুরোপুরি মেলে না; প্রয়োগে NBR এর ব্যাখ্যা দেখুন।
আয়কর আইনজীবীর দৃষ্টিতে
“ধার্যকৃত কর”: এখানে শব্দটি “কর”, “দাবি” বা “পরিশোধ্য অর্থ” নয়; তাই আমাদের মতে সুদ, দণ্ড বা অন্য charge হিসাবে ধরার কথা নয়। আইনে এটি স্পষ্ট করে বলা নেই, তাই কোনো সার্কেল ভিন্ন অবস্থান নিলে বিতর্ক হতে পারে। বড় ঝুঁকির মামলায় সামান্য বেশি জমা দিয়ে রাখা নিরাপদ।
হিসাবরক্ষক ও CA এর দৃষ্টিতে
“ধার্যকৃত কর” ও “স্বীকৃত করদায়” দুটোই মোট দায় (gross tax liability), net payable নয়। অর্থাৎ উৎসে কর, অগ্রিম কর ইত্যাদি বাদ দেওয়ার আগের মোট করদায় দুই পাশে তুলনা করুন। উৎসে কর দুই পাশে সমানভাবে থাকে, তাই পার্থক্যে তার কোনো প্রভাব নেই। রিটার্ন দাখিল না হলে স্বীকৃত কর শূন্য, ফলে পুরো ধার্যকৃত করের ১%।
কর কর্মকর্তার দৃষ্টিতে
আপিল ফোরাম নির্ধারণ (অতিরিক্ত কর কমিশনার (আপিল) নাকি কমিশনার (আপিল)) উপ-ধারা (২) আর NBR এর দায়িত্ব অর্পণ আদেশ অনুযায়ী যাচাই করুন।
১% হিসাবের তিনটি পরিস্থিতি
- ১সাধারণ নিরূপণ, আয় যোগ করা হয়েছে: ধার্যকৃত কর ১২,৫০,০০০ − স্বীকৃত কর ২,৫০,০০০ = ১০,০০,০০০; জমা দিতে হবে ১% = ১০,০০০ টাকা।
- ২রিটার্ন দাখিল হয়নি, একতরফা নিরূপণ: ধার্যকৃত কর ৮,০০,০০০ − স্বীকৃত কর শূন্য = ৮,০০,০০০; জমা ৮,০০০ টাকা।
- ৩উৎসে কর্তন ৩ লক্ষ টাকা আছে: ধার্যকৃত কর ৯,০০,০০০ − স্বীকৃত কর ৫,০০,০০০ = ৪,০০,০০০; জমা ৪,০০০ টাকা। উৎসে করের ৩ লক্ষ টাকা হিসাবের বাইরে, কারণ তা দুই পাশে সমানভাবে থাকে।
সাধারণ ভুল
- ধরে নেওয়া যে আপিল করলেই বাকি দাবির আদায় স্থগিত হয়। উপ-ধারা (৫) শুধু আপিলের দরজা খোলে, আদায় থামায় না; স্থগিত বা কিস্তির জন্য আলাদা আবেদন লাগে।
- net payable (উৎসে কর বাদ দিয়ে) থেকে পার্থক্য হিসাব করা; তুলনা হবে মোট করদায়ে।
- ভুল হিসাবে কম জমা দেওয়া; এতে আপিল অগ্রহণযোগ্য হওয়ার ঝুঁকি থাকে। সন্দেহ থাকলে উপরের দিকে round করে জমা দিন; কয়েকশো টাকা বেশি দেওয়া একটা আপিল হারানোর চেয়ে অনেক সস্তা।
- সময়সীমার শেষ দিকে জমা দেওয়া; জমা ও দাখিল দুটোই ৪৫ দিনের মধ্যে হতে হবে। পার হলে দেরি মওকুফ আপিল কর্তৃপক্ষের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।
- পুরোনো করবর্ষের নিরূপণে কোন বিধান প্রযোজ্য তা না দেখা; উপ-ধারা (৫) অর্থ আইন, ২০২৬ দ্বারা প্রতিস্থাপিত, তাই কার্যকর তারিখ মিলিয়ে নিন।
করণীয় চেকলিস্ট
- নিরূপণ আদেশ থেকে মোট ধার্যকৃত কর আলাদা করুন (সুদ ও দণ্ড বাদে)।
- রিটার্ন থেকে মোট স্বীকৃত কর নিন (উৎসে কর ও অগ্রিম কর বাদ দেওয়ার আগের অঙ্ক)।
- পার্থক্যের ১% হিসাব করুন, প্রয়োজনে উপরে round করুন।
- সঠিক কর কোডে a-challan বা ই-পেমেন্ট করুন; TIN ও করবর্ষ ঠিকভাবে দিন।
- চালানের কপি আপিল ফরমের সাথে সংযুক্ত করুন এবং আপিলে স্পষ্ট লিখুন যে ধারা ২৮৬(৫) এর শর্ত পূরণ হয়েছে।
- ক্লায়েন্টকে লিখিতভাবে জানান যে বাকি দাবির আদায় এতে স্থগিত হয় না।
প্রশ্নোত্তর
কখন জমা দিতে হবে?
আপিল দাখিলের আগে। আপিল মেমোর সাথে চালানের কপি সংযুক্ত করুন।
পরে জমা দিলে কী হবে?
আপিলের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জমা ও দাখিল দুটোই হলে সমস্যা নেই। সময় পার হলে বিলম্ব মওকুফের আবেদন করা যায় (ধারা ২৮৭(৫)), কিন্তু তা আপিল কর্তৃপক্ষের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।
জমাকৃত ১% কি জরিমানা বা ফি?
না, এটি কর পরিশোধ। চূড়ান্ত দায়ের সাথে সমন্বয় হবে; আপিলে পুরোপুরি জিতলে প্রত্যর্পণযোগ্য। আপিল ফি ২০০ টাকা আলাদা (ধারা ২৮৭(৩))।
১% দিলে কি বাকি দাবির আদায় স্থগিত হয়?
না। বাকি দাবির আদায় স্থগিত করতে চাইলে কর কর্তৃপক্ষের কাছে আলাদাভাবে স্থগিতাদেশ বা কিস্তির আবেদন করতে হবে।
আপিল কর্তৃপক্ষ কি ১% মওকুফ করতে পারে?
আইনে এমন ক্ষমতা দেওয়া হয়নি; “করা যাইবে না” ভাষাটি বাধ্যতামূলক।
সাথে পড়ুন
এই বিশ্লেষণ Unidara Associates এর শিক্ষামূলক ব্যাখ্যা, NBR এর দাপ্তরিক মত নয়। আপনার নির্দিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্তের আগে পরামর্শ নিন।
